ভাবসম্প্রসারন

অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভাবসম্প্রসারণ লিখন ঃ 

.  ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা...... সব শিশুরই অন্তরে।
.  ছোট ছোট বালুকনা, বিন্দু বিন্দু জল... গড়ে তুলে মহাদেশ সাগর অতল।
.  সংসার সাগরে দুঃখ তরঙ্গের খেলা...... আশা তার একমাত্র ভেলা।
.  জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে........ সে জাতির নাম মানুষ জাতি। অথবা, সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।
.  সমস্ত পাথর হলে মহামূল্য মণি........ মণির কদর কিছু হতো না কখনই ।
.  বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা....... নয়নের অংশ যেমন নয়নের পাতা।
.  ক্ষমা যেথা ক্ষীণ দুর্বলতা....... হেরুদ্র, নিষ্ঠুর যেন হতে পারি তথা.... তোমার আদেশে।
.  সে কহে বিস্তার মিছা, যে কহে বিস্তর ।
 যত বড় হোক ইন্দ্রধনু সে সুদূর আকাশে আঁকা....... আমি ভালোবাসি মোর ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা।
১০.  পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়....... পথের দুধারে আছে মোর দেবালয়।
১১.  অদৃষ্টেরে শুধালাম, চিরদিন পিছে...... সম্মুখে ঠেলিছে মোর পশ্চাতের আমি।
১২.  হাস্য মুখে অদৃষ্টেরে করব মোরা পরিহাস।
১৩.  সম্পদে যাঁদের ঠেকে না চরণ..... মাটির মালিক তাঁহারাই হন।

১৪. সে লড়াই ইশ্বরের বিরুদ্ধে লড়াই...... যে যুদ্ধে ভাইকে মারে ভাই ।

১৫. তরুলতা  সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি....  কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায় তবে মানুষ।

১৬. রথ যাথা লোকরণ্য মহা ধুমধাম ....... মূতি ভাবে, আমি দেব, হাসে অন্তর্যামী।

১৭.  সুজনে সুযশ গায় কুযশ ঢাকিয়া.... কুজন ‍কুরব করে সুরব নাশিয়া।

১৮. যাহারা তুমার বিষাইছে বায়ু..... তুমি কি বেসেছ ভালো?

১৯. মনেরে আজ কহ যে.... ভালো –মন্দ যাহাই আসুক সত্যরে লও সহজে ।

২০. প্রাচীররে ছিদ্রে এক নাম গোত্রহীন...... সূর্য  উঠি বলে তারে ‘ ভালো আছো ভাই ?’

২১. নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস .......... ওপারেতে সর্বসুখ  আমার বিশ্বাস।

২২. দশে মিলে করি কাজ / হারি জিতি নাহি লাজ।  অথবা, দশের লাঠি, একের বোঝা।

২৩.কে লইবে মোর কার্য ? কহে সন্ধ্যারবি - ....... আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি.

২৪. আমার একার আলো সে যে অন্ধকার .... যদি না সবারে অংশ দিতে পারি তার।
২৫. যারে তুমি চিনে ফেল, সে তোমারে বাঁধিছে যে নিচে,.... পশ্চাতে রেখেছ যারে, সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে। 
২৬. কত বড় আমি, কহে নকল হীরাটি- .... তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি। অথবা, দেখিতে যা বড়, / চক্ষে যাহা স্তূপাকার হইয়াছে জড়ো, 
২৭. গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্তে ধন.... নহে বিদ্যা, নহে ধন, হলে প্রয়োজন। 
২৮. রাত্রে যদি সূর্য  শোকে ঝরে অশ্রু ধারা.... সূর্য  নাহি ফেরে শুধু ব্যর্থ হয় তারা।
 ৩০. হে অতীত তুমি ভুবনে ভুবনে..... কাজ করে যাও গোপনে গোপনে। 
৩১. মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়....... অন্ধকারেই ফিরে আসে। অথবা, রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে।
৩২. উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে..... তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে।
৩৩. দ্বার বন্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি...... সত্য বলে, আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি।
৩৪. মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে .... মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই।
৩৫. সুসময়ে অনেকে বন্ধু বটে হয়.... অসময়ের হায় হায় কেহ কারো নয়।
৩৬. যেখানে দেখিবে ছাই,উড়াইয়া দেখ তাই....... পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন। 
৩৭. পেঁচা রাষ্ট্র করে দেয় পেলে কোন ছুৃতা... জান না আমার সাথে সূর্যের শত্রুতা।
৩৮. শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। অথবা, শিক্ষাই জাতির উন্নতির পূর্বশর্ত।
৩৯. ধনের মানুষ অপেক্ষা মনের  মানুষই বড়। অথবা, বিত্ত হতে চিত্ত বড়।  অথবা, ধনের মানুষ মানুষ নয়, মনের মানুষই মানুষ।
৪০. গতিই জীবন, স্থিতিতে মৃত্যু । 
৪১. যে একা সে সামান্য, যার ঐক্য নাই সে তুচ্ছ।
৪২. কীর্তিমানের মৃত্যু নাই। অথবা, বেঁচেও মরে যদি মানুষ দোষে, মরেও বাঁচে যদি মানুষ ঘোষে।
৪৩. মিত্রত্ব সর্বত্রই সুলভ, মিত্রত্ব রক্ষা করাই কঠিন। অথবা, সুসময়ে অনেকে বন্ধু বটে হয়.... অসময়ের হায় হায় কেহ কারো নয়।
৪৪. আজ প্রকৃতির ওপর আধিপত্য নয়, মানুষ গড়ে তুলতে চাইছে প্রকৃতির সঙ্গে মৈত্রীর সম্বন্ধ।
৪৫. প্রতিভা এমন জিনিস, এ যাকে স্পর্শ করে তাকে সজীব করে।
 ৪৬. নাম মানুষকে বড় করে না, মানুষই নামকে জাঁকাইয়া তোলে। অথবা, নাম মানুষকে বড় করে না,মানুষই নামকে বড় করে তোলে।
৪৭.অভাব অল্প হলে দুঃখও অল্প হয়ে থাকে। 
৪৮. ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবাই জ্ঞানীর কাজ। 
৪৯. গাইতে গাইতে গায়েন, বাজাতে বাজাতে বায়েন।
৫০. নিরক্ষরতা দুর্ভাগ্যের প্রসূতি।
৫১. জীবনের জন্য মৃত্যু, মৃত্যুর জন্য জীবন নয়।
৫২. আলস্য এক ভয়ানক ব্যাধি।
৫৩. লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।
৫৪. জ্ঞানহীন মানুষ পশুর সমান।
৫৫. বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।
৫৬. পু্ষ্প আপনার জন্য ফোটে না। 
৫৭. হাতে কাজ করায় অগৌরব নেই, অগৌরব হয় মিথ্যায়, মুর্খতায়।
৫৮. দুর্নীতি জাতীয়  জীবনে অভিশাপস্বরুপ।
৫৯. সবলের পরিচয় আত্মপ্রসারে, আর দুর্বলের স্বস্তি আত্মগোপনে।
৬০. স্বদেশের উপকারে নাই যার মন.... কে বলে মানুষ তারে ? পশু সেই জন।
৬১. ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী-গদ্যময়.... পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।
৬২. পরের অনিষ্ট চিন্ত করে যেই জন..... নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন।
৬৩. জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।
৬৪. দণ্ডিতের সাথে.... সর্বশ্রেষ্ঠ সে বিচার।
৬৫. ধ্বনিটিরে প্রতিধ্বনি সদা ব্যঙ্গ করে.... ধ্বনির কাছে ঋণী সে যে পাছে ধরা পড়ে ।
৬৬. যে জন দিবসে মনের হরষে...... নিশীতে প্রদীপ ভাতি।
৬৭. শৈবাল দীঘিরে বলে উচ্চ করে শির ..... লিখে রেখো, এক ফোঁটা দিলাম শিশির।
৬৮. কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক?কে বলে তার বহুদুর....... মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক- মানুষেতে সুরাসুর।
৬৯. যে জাতি জিবন  অচল অসার..... পদে পদে বাধে তার জীর্ণ  লোকাচার। 
৭০. আলো বলে,‘ অন্ধকার তুই বড় কালো ’ ....... অন্ধকার বলে,‘ভাই, তাই তুমি আলো’।
৭১. কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে .... দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? 
৭২. আত্মসুখ অন্বেষণে আনন্দ নাহিরে.... প্রত্যেকে আমার পরের তরে।
৭৩. ফুলের বাগান সবার মনেই আছে.... ফুল ফোটাতে সবাই নাহি পারে।
৭৪. শুধাল পথিক, সাগর হইতে কী অধিক ধনবান?
৭৫. বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে।
৭৬. চন্দ্র কহে, বিশ্বে আলো দিয়েছি ছড়ায়ে.... কলঙ্ক যা আছে তাহা আছে মোর গায়ে।
৭৭. ভোগে সুখ নাই, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।
৭৮. পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।
৭৯. প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত, বাঁচিবার অধিকার তাহারই।
৮০. যে সহে, সে রহে। অথবা, সবুরে মেওয়া ফলে।
৮১. অর্থস্পত্তির বিনাশ আছে কিন্তু জ্ঞানস্পদ কখনো বিনষ্ট হয় না।
 ৮২. মঙ্গল করিবার শক্তি ধন, বিলাস ধন নহে।
৮৩. আত্মশক্তি অর্জনই  শিক্ষার উদ্দেশ্য।
৮৪. বিশ্বের  যা কিছু মহান সৃষ্টি, চির-কল্যাণকর,..... অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। 
৮৫. মন্ত্রের সাধান কিংবা শরীর পাতন। অথবা, হাত জোড় করে নয়, হাত মুঠো করেও নহে, পেতে হলে হাত লাগাতে হবে।
৮৬. যতনে রতন মিলে, সারসত্য এই।
৮৭. কর যুদ্ধ বীর্যবান যায় যাবে যাক প্রাণ.... মহিমাহি জগতে দুর্লভ। 
৮৮. উদয়ের পথে শুনি কার বাণি, ভয় নাহি ওরে ভয় নাহি।
৮৯. স্বর্থমগ্ন যে জন বিমুখ..... বৃহৎ জগৎ হতে, সে কখনো সেখেনি বাচিতে।
৯০. পূণ্যে-পাপে দুঃখে-সুখে, পতনে-উত্থোনে,..... মানুষ হয়তে দাও তুমার সন্তানে।
৯১. কালো আর ধলো বাহিরে কেবল.... ভিতরে সবাই রাঙা।
৯২. এ জগতে হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভুরি  ‍ভূরি......রাজার হস্ত করে কাঙালের ধন চুরি।
৯৩. অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে....... তব ঘৃণাযেন তারে তৃণ সম দহে।
৯৪. আপনার রাখিলে ব্যর্থ  জীবন সাধনা.... জনম বিশ্বের তারে পরার্থ  কামনা ।
 ৯৫. জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো। অথবা, নহে আশরাফ আছে যার বংশ পরিচয়...... সেই আশরাফ জিবন যাহার পূর্ণ কর্মময়। ৯৬. 
৯৭. দাও ফিরে সেই অরণ্য, লও এই নগর।
৯৮. সকলেই তরে সকলেই আমরা.... প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।
৯৯. জাল কহে, ‘ পঙ্ক আমি উঠাব না আর ।... জেল কহে ‘মাছ তবে পাওয়া হবে ভার।’
১০০. মিথ্যা শুনিনি ভাই.... এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির কাবা নাই।
১০১. ধৈর্য ধর ধৈর্য দর বাঁধ বাঁধ বুক...... সংসারের সহস্র দঃখ আসিবে আসুক।
 ১০২. যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই ...... যাহা পাই তাহা চাই না।
১০৩. দুর্জন বিদ্বান হইলেও পরিত্যাজ্য।
১০৪. সেই ধন্য নরকুলে লোকে যারে নাহি ভুলে .... মনের মন্দিরে নিত্য সেবে সর্বজন।
১০৫. জীবনের জন্য মৃত্যু, মৃত্যুর জন্য জীবন নয়।
১০৬. স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।
১০৭. অর্থই অনর্থের মূল।
১০৮. পাপীকে নয় পাপকে ঘৃণা কর।
১০৯. চকচক করলেই সোনা হয় না।
১১০. কাঁটাবনের গোলাপই সত্যিকারের গোলাপ।
১১১. প্রয়োজনীয়তাই উদ্ভাবনের জনক।
১১২. অন্য খরচের েচেয়ে বােজে খরচেই মানুষকে চেনা যায়। কারণ মানুষ ব্যয় করে বাঁধা নিয়ম অনুসারে, অপব্যয় করে নিজের খেয়ালে।
১১৩. অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান।
১১৪. চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ।
১১৫. চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপন-ধনী তদপেক্ষা শতগুণে দোষী।
১১৬. দুধ-কলায় সমৃদ্ধ সোনার খাঁচা অপেক্ষা ঝঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ অজানা আকাশের পাখি অনেক প্রিয়।
১১৭. প্রকৃত বীর এক বারই মরে, কিন্তু কাপুরুষেরা মরে বার বার।
১১৮. মানুষকে ভুল করতে না দিলে, মানুষকে শিক্ষালাভ করিতে দেওয়া হয় না।
১১৯. সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পস্হা।
১২০. অনেক কিছু ভাবার চেয়ে অল্প কিছু করাও শ্রেয়।
১২১. কর্তব্যের কাছে ভাই-বোন কেউ নেই
১২২. পথ পথিকের সৃষ্টি করে ্না , পথিকই পথের সৃষ্টি করে ।
১২৩. রাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসে।
১২৪. দুঃখের মত এত বড় পরশপাথর আর নেই।
১২৫. সুশিক্ষিত লোকমাত্রাই স্বশিক্ষিত।
১২৬. তুমি অধম তাই বালিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?
১২৭. মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।
১২৮. প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না।
১২৯. স্পষ্টভাষী শত্রু নির্বাক মিত্র অপেক্ষা ভালো।
১৩০. জ্ঞানশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য।

১৩১. বিদ্যর সাধনা শিষ্যকে নিজে অর্জন করতে হয়।শুরু উত্তর-সাধক মাত্র।
১৩২. সাহিত্য জাতির দর্পণ স্বরূপ।
১৩৩. মানুষের জীবন  ‍ফুলের মতো, প্রভাতের ফুল সন্ধ্যায় ঝরে যায়।
১৩৪. বুদ্ধি যার বল তার।
১৩৫. ফ্যাশনটা হলো মুখোশ স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
১৩৬. প্রীতিহীন হৃদয় আর প্রত্যয়হীন কর্ম দুই-ই অসার্থক।
১৩৭. বিদ্যার সঙ্গে সম্পকহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গু।

১৩৮. মুকুট পড়া শত্রু; কিন্তু মুকুট ত্যাগ করা আরও কঠিন । 
১৩৯. জাতীয় জীবনে সন্তোষ এবং আকাঙ্ক্ষা দুয়েরই মাত্রা বাড়িয়া গেলে বিনাশের কারণ ঘটে।
১৪০. জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।
১৪১. 
১৪২. 
১৪৩. 
১৪৪. 
১৪৫. 
১৪৬. 
১৪৭. 
১৪৮. 
১৪৯. 
১৫০. 

 


Share This Post

Post Comments (0)



Notice Board

Latest Post

Suggestion or Complain

সংবাদ শিরোনাম